ঢাকায় দেখা যাবে ‘উয়ারী-বটেশ্বর’ সিনেমা

বিনোদন প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসা কুড়ানো দেশীয় স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন উয়ারী-বটেশ্বর’ এবার প্রথমবারের মতো ঢাকার দর্শকদের সামনে আসছে। দেশে সিনেমাটির প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় ধানমন্ডির আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকা-র নুভেল ভাগ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ এই প্রদর্শনী। এর আগে, সিনেমাটি বিভিন্ন দেশের উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছিলো। 

পরিচালক রাজিব রাফির নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি গত বছর ফ্রান্সের ক্লেরমন্ট-ফেরান্ড ইন্টারন্যাশনাল শর্টফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করে। এরপর এটি প্রদর্শিত হয় টরেন্টো মাল্টিকালচার ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং সান গিও ভেরোনা ভিডিও ফেস্টিভ্যালে। সেখানে দর্শক ও সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়ে সিনেমাটি। 

আয়োজকরা জানিয়েছেন, প্রদর্শনীর পর থাকবে নির্মাতা রাজিব রাফির সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় পর্ব। সেখানে তিনি চলচ্চিত্রটির নির্মাণপ্রক্রিয়া, ভাবনা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে দর্শকদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। 

স্বল্পদৈর্ঘ্যটির বর্ণনা এগোয় এক রহস্যময় আত্মার দৃষ্টিকোণ থেকে। যেখানে জীবনের বিচ্ছিন্ন কিছু চরিত্র—এক নির্বাক স্ত্রী, স্বপ্নবাজ গোলরক্ষক, অস্থির পিতা এবং আকাঙ্ক্ষায় চালিত মানুষের মাধ্যমে ফুটে ওঠে অদৃশ্য বাস্তবতা। পরিচালক রাফি জানিয়েছেন, এক্সপেরিমেন্টাল ন্যারেটিভ এই ফিল্মটি নির্মিত হয়েছে ম্যাজিক রিয়েলিজম ঘরানায়। 

নির্মাতা রাফি বলেন, ‘ওয়ানস আপন আ টাইম ইন উয়ারী-বটেশ্বর সিনেমাটি এক্সপেরিমেন্টাল, কিন্তু এর গল্পের গতিময়তা আছে। আবার এটিকে ডিটেকটিভ ফিকশনও বলা যায়। এটা এ কারণে বলছি, ডিটেকটিভ গল্প মানেই মিসিং পারসনকে খোঁজার গল্প।’ 

জানা গেছে, পুরো সিনেমাটি ড্রোন ক্যামেরা ব্যবহার করে শুটিং করা হয়েছে। অদ্ভুত এবং ভয়ংকরের মধ্যে এক জাদুবাস্তবতাময় ভিজ্যুয়াল জার্নি তৈরি করতেই এমনভাবে নির্মাণের পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতা। সিনেমাটোগ্রাফিতে ছিলেন মাজাহারুল রাজু। 

১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে খনা টকিজ ও সিনেমা কোকোন। আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে সিনেলিও, যারা ইতিমধ্যে দুবাই ও মিসরে চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে। 

সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ নিলয়, শৈলেন পল, সাবিকুন্নাহার কাঁকন, শ্যামল শিশির, তোতো তীমথিয়, দীপঙ্কর দীপ, এমডি জনি এবং নাজিম উদ্দিন। 

—জা. অর্থনীতি/এনএ