আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাজ্যের ‘হাই পটেনশিয়াল ইন্ডিভিজুয়াল’ (এইচপিআই) ভিসার যোগ্য হিসেবে বিশ্বের ৮২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তালিকাভুক্ত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সম্প্রতি স্নাতক সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে এ ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে বসবাস ও কাজের সুযোগ পাবেন। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, তালিকায় স্থান পাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এইচপিআই ভিসার আবেদনের জন্য কার্যকর বিবেচিত হবে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রকাশিত এই তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো অন্তর্ভুক্তি দেখা যায়নি। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ই এইচপিআই ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত এই বৈশ্বিক তালিকায় স্থান পায়নি। ফলে এসব দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা এই ক্যাটাগরির আওতায় যুক্তরাজ্যে প্রবেশের বিশেষ সুবিধার বাইরে থাকছেন।
যুক্তরাজ্যের এইচপিআই ভিসার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, তালিকার অন্তর্ভুক্ত বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সম্প্রতি উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীরা সরাসরি যুক্তরাজ্যে গিয়ে কাজ করা কিংবা পছন্দমতো চাকরি খোঁজার সুযোগ পেয়ে থাকেন। সাধারণত যুক্তরাজ্যে কাজের ভিসায় যাওয়ার ক্ষেত্রে স্থানীয় কোনো নিয়োগদাতার পক্ষ থেকে চাকরির সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবপত্র (জব অফার) কিংবা স্পনসরশিপের বাধ্যবাধকতা থাকে; তবে এইচপিআই ভিসার ক্ষেত্রে এমন কোনো পূর্বশর্তের প্রয়োজন হয় না।
অবশ্য তালিকাভুক্ত কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করলেই আবেদনকারীর ভিসা নিশ্চিত হয়ে যাবে—বিষয়টি এমন নয়। আবেদনকারীদের ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক মানদণ্ডও যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে দেশটিতে জীবনযাত্রার ব্যয় বহনের জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেওয়া এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইংরেজি ভাষার নির্ধারিত দক্ষতার শর্ত পূরণ করা আবশ্যক।
জেএ/অভি