Print Date & Time : 01 November 2026 Sunday 03:37 am

এইচএসসিতে ফল বিপর্যয় জিপিএ-৫ কমেছে ৪২%

image

হারুনুর রশিদ, ঢাকা: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বড় ধরনের ফল বিপর্যয় ঘটেছে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ; অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ফেল করেছেন মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ইংরেজি ও আইসিটিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ৩ লাখ ৮২ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি।

গতকাল শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন। ফলাফল অনুযায়ী, এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাদের মধ্যে পাস করেছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। অন্যদিকে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশই পাস করতে পারেননি। 

২২ বছরের পাসের হার সর্বনিম্ন
এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার গত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিতভাবে মাত্র ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। এর আগে এর চেয়ে কম পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছিল ২০০৪ সালে; সে বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৩ হাজার ৩৬ জন শিক্ষার্থী। সে সময় দেশের সাতটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতো।


ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০০৪ সালের পর থেকে পাসের হার ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে। ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল প্রায় ৫৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৫ হাজার ৫০৯ জন। ২০০৬ সালে পাসের হার বেড়ে দাঁড়ায় ৬৫ দশমিক ৬৫ শতাংশে এবং ৯ হাজার ৮৬৮ জন জিপিএ-৫ পান। তবে ২০০৭ সালে তা কিছুটা কমে ৬৪ দশমিক ২৭ শতাংশে নেমে আসে।

২০০৮ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে এইচএসসির পাসের হারে নানা ওঠানামা দেখা গেছে। এই সময়ের মধ্যে ২০১২ সালে সর্বোচ্চ ৭৬ দশমিক ৫ শতাংশ পাসের হার রেকর্ড করা হয়। এর বিপরীতে ২০১৮ সালে পাসের হার কমে দাঁড়ায় ৬৪ দশমিক ৫৫ শতাংশে যা ছিল তৎকালীন ১২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

পরের বছর ২০১৯ সালে পাসের হার আবারও বেড়ে ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশে পৌঁছায়। ২০২০ সালে করোনা মহামারির কারণে কোনো লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। পরবর্তীকালে ২০২১ সালে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ। এরপর ২০২২ সালে তা কমে ৮৫ দশমিক ৯ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৫ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশে দাঁড়ায়। গত ২০২৫ সালে পাসের হার নেমে আসে ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশে। আর এ বছর সেই হার আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে; যা গত বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট কম।

জিপিএ-৫ কমেছে প্রায় ৪২ শতাংশ
পাসের হারের পাশাপাশি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। গত বছর প্রাথমিক ফলাফলে এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৭ যা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। পরে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের পর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭২ হাজার ১৭৬ জনে। সে হিসাবে গত বছরের চূড়ান্ত ফলের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩২ হাজার ৯২ যা প্রায় ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রাথমিক ফলের সঙ্গে তুলনা করলে কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন বা প্রায় ৪২ শতাংশ।

গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানেও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন দেখা যায়। ২০১৮ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ২৯ হাজার ২৬২ জন এবং ২০১৯ সালে ৪৭ হাজার ২৮৬ জন। পরবর্তী সময়ে এ সংখ্যা বেড়ে ২০২৪ সালে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জনে পৌঁছায়। ২০২৫ সালের প্রাথমিক ফলেও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজারের বেশি। এবার তা নেমে এসেছে ৪০ হাজার ৮৪ জনে। গত আট বছরের মধ্যে এবারই জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি ফেল মানবিক বিভাগে
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে সবচেয়ে বেশি বিপর্যয় ঘটেছে মানবিক বিভাগে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বিভাগে পাসের হার মাত্র ৪২ দশমিক ১৭ শতাংশ। অর্থাৎ মানবিক বিভাগে অর্ধেকেরও বেশি পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

এ বিভাগে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৩২ জন ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ৯০ হাজার ৬৬৪ জন। অন্যদিকে ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৮০৩ জন ছাত্রীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৭ জন। সব মিলিয়ে মানবিক বিভাগে অংশ নেওয়া ৬ লাখ ৭ হাজার ৭৩৫ জনের মধ্যে পাস করেছেন ২ লাখ ৫৬ হাজার ৩১১ জন। ফলে এ বিভাগের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন।

অন্যদিকে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৩ দশমিক ১২ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এ হার ৫০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। তুলনামূলকভাবে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার বেশি হলেও মানবিক বিভাগের ফলাফল সামগ্রিক পাসের হারকে নিচে নামিয়ে দিয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

ইংরেজি ও আইসিটিতে ফেল ৩ লাখ ৮২ হাজার
বিষয়ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইংরেজি ও আইসিটিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। এ দুটি বিষয়ে মোট ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন পরীক্ষার্থী ফেল করেছেন। এর মধ্যে ইংরেজিতে অকৃতকার্য হয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন।

পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে, জিপিএ-৫ বেশি ছেলেদের
ছেলে ও মেয়েদের ফলাফলেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছেন। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী মোট উত্তীর্ণ ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ আর ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে।

অন্যদিকে জিপিএ-৫ পাওয়া ৪০ হাজার ৮৪ জনের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। অর্থাৎ সর্বোচ্চ ফল অর্জনে ছেলেরা মেয়েদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।

শীর্ষে ঢাকা, সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল
বোর্ডভিত্তিক ফলাফলে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ৭১৪ জন।

অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে বরিশাল বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। ৫৭ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছেন ২৫ হাজার ৯৭০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ৯৫০ জন। যশোর ও রাজশাহী বোর্ডেও পাসের হার যথাক্রমে ৪৪ দশমিক ৯২ ও ৪৫ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। দিনাজপুরে ৪৫ দশমিক ৯৮, কুমিল্লায় ৪৮ দশমিক শূন্য ৪, সিলেটে ৫০ দশমিক ৯০, ময়মনসিংহে ৫১ দশমিক ৪৪ এবং চট্টগ্রামে ৫২ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

ঢাকার পর জিপিএ-৫ পাওয়ার দিক থেকে এগিয়ে রাজশাহী বোর্ড; এ বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৫২০ জন। চট্টগ্রাম বোর্ডে গত ১৫ বছরের মধ্যে এবার সর্বনিম্ন পাসের হার দেখা গেছে। সমমানের বোর্ডগুলোর মধ্যে মাদ্রাসায় পাসের হার ৬১ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ এবং কারিগরিতে ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এ দুই বোর্ডেও পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

২৯৩টি প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেননি 
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফলও হতাশাজনক। এবার ২৯৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শতভাগ অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি।

অন্যদিকে এবার শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৩৯টি। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে না পারা শিক্ষার মান, পাঠদান এবং প্রতিষ্ঠানভিত্তিক বৈষম্যের বিষয়টি সামনে এনেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান বলেন, ১২ বছর পড়াশোনার পর অর্ধেক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়া কোনোভাবেই স্বাভাবিক নয়। এবারের ফলাফল দেশের শিক্ষাব্যবস্থার বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো সামনে এনেছে। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের শিখনঘাটতি, শিক্ষকস্বল্পতা, মানসম্মত শিক্ষকের অভাব এবং বারবার শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের মতো সমস্যা।

সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, বিচ্ছিন্ন উদ্যোগে এ সংকট কাটানো সম্ভব নয়। একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে দেশের জন্য সুস্পষ্ট শিক্ষাদর্শন ও দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করতে হবে। সেই নীতির আলোকে ধারাবাহিকভাবে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করতে হবে।

এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা
এ বছর পরীক্ষায় দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী এক মাসের মধ্যে তাদের এ পরীক্ষা নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের আগামী এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তারা শুধু যেসব বিষয়ে ফেল করেছেন সেসব বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার এক বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন এবং দুই বিষয়ে ফেল করেছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন। সব মিলিয়ে এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন। তাদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলে একটি বড় অংশের শিক্ষাজীবনে এক বছর পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি কমবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনও জানিয়েছেন, এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ বিবেচনায় নিয়ে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

১ থেকে ৭ নভেম্বর পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন
এদিকে প্রকাশিত ফলে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে এ আবেদন গ্রহণ করা হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবেদনপ্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।