Print Date & Time : 03 November 2026 Tuesday 04:24 pm

যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে বাংলাদেশে কত টাকা পাঠানো সম্ভব? (ভিডিও)

image

জাতীয় অর্থনীতি ডেস্ক: "আমেরিকায় পরিশ্রম করে মাস শেষে বাংলাদেশে কত টাকা পাঠানো যায়? কোটিপতি হওয়ার গল্প তো অনেকেই শোনায়, কিন্তু সব খরচ সামলে প্রতি মাসে আসলে কত হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠানো সম্ভব? আপনি যদি প্রবাস জীবনের আসল রেমিট্যান্সের হিসাব জানতে চান, তবে আজকের এই ভিডিওটি আপনার জন্য!"

বাংলাদেশি অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হলো প্রবাসী রেমিট্যান্স। আর এই ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অবদান দিন দিন বেড়েই চলেছে। প্রতি বছর হাজার হাজার প্রবাসী আমেরিকা থেকে দেশে নিজেদের পরিবার ও স্বজনদের কাছে কোটি কোটি টাকা পাঠান। তবে একজন ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে ঠিক কতটা সঞ্চয় করতে পারেন এবং কত টাকাই বা দেশে পাঠানো সম্ভব— সেই হিসাবটি জানা অত্যন্ত জরুরি।

 

যুক্তরাষ্ট্রে আয়ের বিষয়টি নির্ভর করে কাজের ধরন, সময় এবং স্টেটের ওপর। একজন সাধারণ প্রবাসী যিনি রেস্তোরাঁ, রাইড শেয়ারিং, গ্রোসারি কিংবা কনস্ট্রাকশনে কাজ করেন, তিনি ওভারটাইমসসহ মাসে প্রায় ২,৫০০ থেকে ৪,০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

কিন্তু আয়ের সঙ্গেই আসে আমেরিকার আকাশছোঁয়া খরচ। বাসা ভাড়া, খাদ্যদ্রব্য, যাতায়াত, হেলথ ইন্স্যুরেন্স এবং ট্যাক্স মিলিয়ে প্রতি মাসে প্রায় ১,৫০০ থেকে ২,২০০ ডলার খরচ হয়ে যায়। ফলে আয় থেকে খরচ বাদ দিলে হাতে যা থাকে, সেটিই হলো প্রকৃত সঞ্চয়।

সব খরচ সামলে একজন সাধারণ প্রবাসী মাস শেষে ১,০০০ থেকে ২,০০০ ডলার পর্যন্ত নিজের কাছে জমাতে পারেন। বর্তমান এক্সচেঞ্জ রেট বা ডলারের দর হিসাব করলে, তা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার মতো হয়!

তবে যারা কিছুটা প্রফেশনাল কাজ করেন— যেমন আইটি, ব্যাংকিং, প্রাকৌশল কিংবা যাদের নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে, তারা প্রতি মাসে সহজেই ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ ডলারের বেশি দেশে পাঠাতে পারেন। যা বাংলাদেশি টাকায় ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকারও বেশি হতে পারে।"

রেমিট্যান্স পাঠানোর সময় সবসময় ব্যাংকিং চ্যানেল বা বৈধ উপায় ব্যবহার করা উচিত, এতে দেশে সরকারের দেয়া আড়াই শতাংশ প্রণোদনাও পাওয়া যায়। প্রবাসীদের রক্ত-ঘামে অর্জিত এই টাকাই দেশের অর্থনীতির ভিত শক্ত রাখে।

আপনার কি মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কষ্টের তুলনায় দেশে পাঠানো এই টাকার পরিমাণ কেমন? কমেন্ট করে জানান আপনার মতামত। আজ এ পর্যন্তই, ধন্যবাদ।"

"যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করে মাসে কত টাকা দেশে পাঠানো সম্ভব? একজন সাধারণ প্রবাসী মাসে আড়াই থেকে চার হাজার ডলার আয় করলেও বাসা ভাড়া ও খাওয়া বাবদ প্রায় দুই হাজার ডলার খরচ হয়ে যায়। তবে সব সামলে মাস শেষে ১,০০০ থেকে ২,০০০ ডলার জমানো সম্ভব! যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকা। আর ভালো প্রফেশনাল চাকরি করলে এই অংক ৩ থেকে ৫ লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যায়!"

—জা. অর্থনীতি/এলএটি