Print Date & Time : 28 October 2026 Wednesday 12:06 am

শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির মামলা করলেন সাবেক শিক্ষিকা

image

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাবেক এক সহকারী শিক্ষিকাকে (৩৭) শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় গত ৫ অক্টোবর ভুক্তভোগী ওই নারী গোপালগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল -এ মামলা করেন। পরে আদালতের নির্দেশে গত ২০ অক্টোবর গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেছে।

মামলার বাদী ওই নারী মুকসুদপুর উপজেলার ঝুটিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি প্রায় ৫ মাস আগে চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। তবে কি কারণে চাকরি ছেড়েছেন তা জানা যায়নি। ওই শিক্ষিকার স্বামী রয়েছে বলে জানা গেছে।   

অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের ডুবশি গ্রামের এস এম আকবার হোসেনের ছেলে। 

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে মাহাতাব উদ্দিনের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে একসময় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে মাহাতাব উদ্দিন শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিলে ওই নারী বিয়ের শর্ত দেন।

গত ১১ সেপ্টেম্বর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে মাহাতাব উদ্দিন নিজের বাড়িতে ডেকে নেন। বাড়িতে গিয়ে ওই নারীৈঅন্য কাউকে দেখতে পাননি। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাহাতাব উদ্দিন তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন। পরের দিন তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় মাহাতাব উদ্দিন ওই নারীর বাবার বাড়িতে গিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন।

সর্বশেষ চলতি বছরের গত ২ অক্টোবর ওই নারী বিয়ের বিষয় চূড়ান্ত করতে চাইলে মাহাতাব উদ্দিন তাদের সম্পর্ক ও বিয়ের প্রতিশ্রুতির কথা অস্বীকার করেন। পরে নিরুপায় হয়ে ওই নারী আদালতে গিয়ে মামলা করেন। 

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহাতাব উদ্দিনকে মুঠোফোনে কল দিয়ে সাংবাদিক পরিচয় দিতেই অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, আমি মাহাতাব নই। তিনি ফোন রেখে বাহিরে গেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

—জা.অর্থনীতি/এনজে