Print Date & Time : 14 October 2026 Wednesday 05:41 pm

সরকারি স্কুলে ভর্তি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত, কোন শ্রেণিতে কী নিয়ম

image

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে লটারির মাধ্যমে। অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) প্রকাশিত নীতিমালায় বলা হয়, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী আবেদনের সময় সর্বোচ্চ ৫টি প্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিতে পারবে। তবে ডাবল শিফটের কোনো বিদ্যালয়ের উভয় শিফট পছন্দ করলে তা দুটি বিদ্যালয় পছন্দ করার সমতুল্য হিসেবে গণ্য হবে।

একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর সব আবেদন বাতিল করা হবে। প্রথম শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি পরিচালনা করতে হবে এবং পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

১১ মাসেও প্রধান শিক্ষককে দেখেনি শিক্ষার্থীরা, বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত করা হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থী ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।

ভর্তি পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ও সময়

দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০। এর মধ্যে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। এ শ্রেণিগুলোর ভর্তি পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান হবে ১০০। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। এ পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে দুই ঘণ্টা।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। পাশাপাশি ভর্তি কমিটি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রচারের ব্যবস্থা নেবে, যাতে ভর্তি-সংক্রান্ত তথ্য ব্যাপকভাবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাছে পৌঁছায়।

—জা.অর্থনীতি/এনজে