Print Date & Time : 28 October 2026 Wednesday 06:12 am

ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার মোজতবা খামেনি!

image

অনলাইন ডেস্ক: প্রথম হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। কিন্তু সেখানেও হামলা হলে আবারও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি, এমন দাবি করেছেন ইরানের এক ধর্মীয় নেতা! তার দাবি, তেহরানের তিনটি হাসপাতালে হামলার পর তৃতীয় হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয় মোজতবাকে। উদ্ধারের পর থেকেই কেন তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে? 

প্রথম হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সেখানেও হামলার শিকার হয়েছিলেন ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি! এমন দাবি করেছেন ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সদস্য মহসেন হায়দারি।

কাতারভিত্তিক টেলিভিশন নেটওয়ার্ক ‘আল আরাবি’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হায়দারি জানান, চলতি বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে লক্ষ্য করে প্রথম হামলার সময় অল্পের জন্য বেঁচে যান তার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

হায়দারির দাবি, পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথবাহিনী তেহরানের অন্তত তিনটি হাসপাতালে বোমাবর্ষণ করে। মোজতবা তখন তৃতীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হামলার পর তাকে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে টেনে বের করা হয় বলে জানান তিনি। 

উদ্ধারের পর মোজতবাকে অজ্ঞাত একটি স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তাকে আর জনসম্মুখে দেখা যায়নি, প্রকাশিত হয়নি তার কোনো বক্তব্যও।

হায়দারির ভাষ্য অনুযায়ী, ৮ মার্চ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নাম ঘোষণার আগ পর্যন্ত মোজতবা খামেনি নিজেও জানতেন না যে তাকে এই পদে মনোনীত করা হয়েছে। 

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সচিবালয়েও হামলার দাবি করা হয়েছে। ওই হামলায় আটজন নিহত হন এবং নেতা নির্বাচনের নথি ও সুপারিশ পুড়ে যায় বলে জানান হায়দারি। পরে গোপন বৈঠকে ৫৯ ভোটের মধ্যে ৫০ ভোট পেয়ে মোজতবা খামেনি নির্বাচিত হন।  

আয়াতুল্লাহ আলিরেজা আরাফি পান আট ভোট এবং একজন ভোটদানে বিরত থাকেন। মোজতবার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা দাবি থাকলেও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি বলেছেন, লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা সর্বোচ্চ নেতা ‘সম্পূর্ণ সুস্থ্য’ আছেন।  

প্রথম হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। কিন্তু সেখানেও হামলা হলে আবারও ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েন তিনি, এমন দাবি করেছেন ইরানের এক ধর্মীয় নেতা! তার দাবি, তেহরানের তিনটি হাসপাতালে হামলার পর তৃতীয় হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয় মোজতবাকে। উদ্ধারের পর থেকেই কেন তিনি লোকচক্ষুর আড়ালে? 
 
প্রথম হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের সদস্য মহসেন হায়দারির দাবি, পরে তেহরানের তিনটি হাসপাতালে হামলা হলে তৃতীয় হাসপাতালের ধ্বংসস্তূপ থেকে মোজতবাকে উদ্ধার করা হয়! এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে গোপন ভোটে ৫৯টির মধ্যে ৫০ ভোট পেয়ে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে নানা দাবি থাকলেও সম্প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ্য।  

 

—জা. অর্থনীতি/এলএটি