Print Date & Time : 08 November 2026 Sunday 12:46 am

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইন: বাদ যাচ্ছে বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ

image

অনলাইন ডেস্ক: ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের আলোচিত–সমালোচিত ১৮ (ক) ধারা বিলুপ্ত করতে সংসদে বিল আনা হয়েছে। একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ রেখে আইনে এই ধারা যুক্ত করেছিল বর্তমান সরকার। তবে ব্যাপক সমালোচনার মুখে এখন সেটা আবার বাদ দেওয়া হচ্ছে। 

আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিলটি সংসদে তোলেন। পরে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন বিলটি পরীক্ষা করে দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ধারা ১৮ (ক) বিলুপ্ত হবে। এই ধারায় বলা হয়, কোনো ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে যাঁরা শেয়ারধারক ছিলেন, তাঁরা চাইলে পরে আবার সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক চাইলে অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও এই সুযোগ দিতে পারবে।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশ জারি করেছিল। সেখানে ১৮ (ক) ধারাটি ছিল না। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর অধ্যাদেশটি সংশোধন করে অনুমোদন করেছিল। সেখানে এই ধারা যুক্ত করা হয়েছিল।

পুরোনো ও বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ রাখার কারণে ব্যাপক সমালোচনা তৈরি হয়। পরে সরকার ধারাটি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। সে অনুযায়ী আইনে সংশোধনী আনতে বিলটি আনা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ–সংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেন, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর উক্ত ধারার পূর্ণ শর্ত পরিপালন করে ইতিমধ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করা সমীচীন।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পাঁচটি সংকটাপন্ন ইসলামী ব্যাংক একীভূত করে গঠিত হয়েছে। ব্যাংকগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক।

—জা.অর্থনীতি/আরএস