আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদ। শনিবার (৪ জুলাই) সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য মসজিদটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ঐতিহাসিক এই বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তেহরানসহ পুরো ইরানে এক নজিরবিহীন শোকাবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, কেবল রাজধানী তেহরানেই খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সমবেত হবেন এক কোটিরও বেশি মানুষ। এছাড়া পাঁচটি শহর মিলিয়ে মোট দুই কোটিরও বেশি শোকাক্রান্ত মানুষ তার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্বমঞ্চের দৃষ্টিও এখন তেহরানের দিকে। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের প্রতিনিধি দল বর্তমানে ইরানে অবস্থান করছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ইরানের রাজধানী তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির কফিন প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উন্মোচন করা হয়। সে সময় খামেনির পাশাপাশি তার পুত্রবধূ, মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনি, কন্যা এবং জামাতার মরদেহও প্রকাশ্যে আনা হয়।
ইরান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একটি যৌথ সামরিক হামলায় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা তার পরিবারের সদস্যদেরসহ সপরিবারে শাহাদত বরণ করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জা.অর্থনীতি/এসআই