জর্ডান জাতীয় ফুটবল দল
ডাকনাম: আল-নাশামা
কনফেডারেশন: এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)
কোচ: জামাল সেলামি
ফিফা র্যাংকিং: ৬৩
কোয়ালিফিকেশন যাত্রা
শক্তিশালী সৌদি আরব ও তাজিকিস্তানের মতো দলকে পেছনে ফেলে এবং এশিয়ান কাপের চমৎকার ফর্ম ধরে রেখে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ফাইনালসের টিকিট নিশ্চিত করেছে।
খেলার ধরন
সুশৃঙ্খল রক্ষণভাগ, হাই-প্রেস এবং উইঙ্গারদের গতি ব্যবহার করে দ্রুত কাউন্টার-অ্যাটাকে যাওয়া।
তারকা খেলোয়াড়
মুসা আল-তামারি (ফরাসি ক্লাব স্টাদে রেনেসের ফরোয়ার্ড, যিনি জর্ডানের ‘মেসি’ নামে পরিচিত)।
উদীয়মান খেলোয়াড়
ইব্রাহিম সাবরা এবং মোহান্নাদ আবু তাহা।
কোচের কৌশল
মরোক্কান কোচ জামাল সেলামি সাধারণত ৪-২-৩-১ বা ৪-৩-৩ ফর্মেশনে খেলান। তিনি দলের রক্ষণাত্মক দৃঢ়তা বজায় রেখে মাঝমাঠ থেকে দ্রুত বল ট্রানজিশনের ওপর জোর দেন।
শক্তি ও দুর্বলতা
শক্তি: অত্যন্ত সুসংগঠিত রক্ষণ এবং কোচের তৈরি করা দলের দারুণ রসায়ন। দুর্বলতা: সহজ সুযোগ মিস করা এবং ডমিন্যান্ট পজিশনে খেলার সময় গোল করার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার অভাব।
বিশ্বকাপ ইতিহাস
কোনো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনের দিক থেকে ২০২৬ আসরই তাদের প্রথম অভিষেক।
স্মরণীয় মুহূর্ত
২০২৩ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের ফাইনালে ওঠা এবং ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ সরাসরি কোয়ালিফাই করার অবিস্মরণীয় মুহূর্তগুলো।
সংস্কৃতি ও সমর্থক
জর্ডানের দর্শকরা অত্যন্ত আবেগী। স্টেডিয়ামে ‘আল-নাশামা’ গানে গানে পুরো গ্যালারি মাতিয়ে রাখেন তারা।
মজার তথ্য: জর্ডানের রাজ পরিবার সরাসরি ফুটবলকে প্রচণ্ড সমর্থন দেয় এবং যুবরাজ প্রিন্স আলী বিন আল হুসেইন দীর্ঘদিন জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-২-৩-১
গ্রুপ বিশ্লেষণ
জর্ডান ২০২৬ বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জে’-তে রয়েছে। যেখানে তাদের কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে মোকাবিলা করতে হবে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া এবং বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে।
ভবিষ্যদ্বাণী
প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নামা জর্ডানের জন্য গ্রুপ পর্ব পার হওয়া অত্যন্ত কঠিন। তবে তাদের গতি ও ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন কাজে লাগিয়ে কোনো ফেভারিট দলের বিপক্ষে বড় অঘটন ঘটানোর পূর্ণ সামর্থ্য রয়েছে।
উক্তি
‘আমাদের জাতি, আমাদের হৃদস্পন্দন’