Print Date & Time : 07 November 2026 Saturday 10:12 am

কিভাবে সাজানো হলো এবারের ইরাক স্কোয়াড

image

ইরাক জাতীয় ফুটবল দল


ডাকনাম: মেসোপটেমিয়ার সিংহ 

কনফেডারেশন: এএফসি (এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন)

কোচ: গ্রাহাম আর্নল্ড 

ফিফা র‍্যাংকিং: ৫৭

কোয়ালিফিকেশন যাত্রা

২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য তারা দীর্ঘ ও কঠিন বাছাইপর্বের বাধা পেরিয়ে প্লে-অফ রাউন্ডে বলিভিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে চূড়ান্ত টিকিট নিশ্চিত করেছে।

খেলার ধরন

শক্তিশালী শারীরিক খেলা, ক্ষিপ্র কাউন্টার-অ্যাটাক এবং উইং দিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠার প্রবণতা।

তারকা খেলোয়াড়

আয়মেন হুসেইন এবং আলী জাসিম।

উদীয়মান খেলোয়াড়: জিদান ইকবাল।

কোচের কৌশল

গ্রাহাম আর্নল্ড সাধারণত রক্ষণভাগে জমাট রেখে সুশৃঙ্খল ৪-৩-৩ বা ৪-২-৩-১ ফরমেশনে দল পরিচালনা করতে পছন্দ করেন।

শক্তি ও দুর্বলতা:

শক্তি: সেট-পিস এবং শারীরিক শক্তিতে দক্ষতা। দুর্বলতা: বল পজিশন বা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মাঝমাঠে কিছুটা ধীরগতি এবং স্কোয়াডের গভীরতার অভাব।

বিশ্বকাপ ইতিহাস

১৯৫৮ সালের বাছাইপর্বে প্রথম অংশ নিলেও তারা কেবল একবার ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে খেলেছে। ২০২৬ সালে দীর্ঘ ৪০ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে।

স্মরণীয় মুহূর্ত

২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এএফসি এশিয়ান কাপ জয়।

সংস্কৃতি ও সমর্থক

ইরাকের ফুটবল ভক্তরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ। যুদ্ধবিধ্বস্ত বা রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়েও জাতীয় দলের ফুটবল জয়কে ইরাকি জনগণ আশা এবং জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখে।

মজার তথ্য

১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে আহমাদ রাধির করা গোলটি বিশ্বকাপে ইরাকের প্রথম ও একমাত্র গোল।

সম্ভাব্য ফরমেশন: ৪-২-৩-১

গ্রুপ বিশ্লেষণ

২০২৬ বিশ্বকাপে ইরাক গ্রুপ- ‘আই’তে ফ্রান্স, সেনেগাল এবং নরওয়ের মতো অত্যন্ত শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে পড়েছে।

ভবিষ্যদ্বাণী

গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো অত্যন্ত কঠিন হলেও তাদের লড়াই করার মানসিকতা ও গতিশীল ফুটবল যে কোনো জায়ান্ট দলকে চমকে দেওয়ার সক্ষমতা রাখে।

উক্তি

‘ফুটবল শুধু খেলা নয়, এটি আমাদের বাঁচিয়ে রাখার আশা।’