Print Date & Time : 07 November 2026 Saturday 07:31 pm

বিস্ময়কর ছবির গল্প

image

১৯৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ভেন্যু এস্তাদিও সেন্টেনারিও। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপের এই স্টেডিয়ামকে ফিফা ঘোষণা করেছে ‘বিশ্ব ফুটবলের ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভ’ হিসেবে।

১৯৫৮ বিশ্বকাপ জয়ের পর উল্লাসে ভেঙে পড়েন পেলে, জিলমার ও জালমা সান্তোস। এটি ছিল ব্রাজিলের প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপার ঐতিহাসিক মুহূর্ত।

১৯৭০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের শট রুখে দেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি গোলরক্ষক গর্ডন ব্যাঙ্কস। পেলের নিশ্চিত গোলও অবিশ্বাস্যভাবে ফিরিয়ে দেন তিনি। 

১৯৭৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পশ্চিম জার্মানির গোলরক্ষক সেপ মাইয়ার দারুণ সেভ করেন যখন ডাচ ফরোয়ার্ড জনি রেপ গোলের উদ্দেশ্যে শট নেন। মিউনিখে অনুষ্ঠিত সেই ফাইনালে ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় পশ্চিম জার্মানি।

১৯৭৮ বিশ্বকাপে বুয়েনস আইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্তালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইতালি। প্রথম রাউন্ডের সেই ম্যাচে স্বাগতিক আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দেয় ইতালি।

১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোলরক্ষক পিটার শিল্টনকে ফাঁকি দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে পাঠান আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা। এই বিতর্কিত গোলই পরে বিশ্ব ফুটবলে ‘হ্যান্ড অব গড’ নামে ইতিহাসে জায়গা করে নেয়।

২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জিকে মাথা দিয়ে আঘাত করেন ফ্রান্সের কিংবদন্তি জিনেদিন জিদান। বার্লিনের এই মুহূর্তটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে চমকপ্রদ ও বিতর্কিত বিদায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে জার্মানির কাছে পরাজয়ের পর ব্রাজিলের মারাকানায় বিশ্বকাপ ট্রফির দিকে নিঃশব্দে তাকিয়ে আছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। এই মুহূর্তটি বিশ্বকাপ ইতিহাসে ‘অপূর্ণ স্বপ্ন ও ব্যথার প্রতীক’ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

২০১৪ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জুয়ান কামিলো জুনিগার ট্যাকেলে গুরুতরভাবে আহত হন ব্রাজিলের তারকা নেইমার। সেই ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যান তিনি। 

২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সকে হারানোর পর বিশ্বকাপ ট্রফি হাতে চুমু দিচ্ছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি।