মোফাজ্জল বিদ্যুৎ ও হারুনুর রশিদ, ঢাকা: দেশে বিদ্যমান টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোয় (টিএসসি) অর্ধেকের বেশি আসন খালি পড়ে আছে। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষক ও জনবল সংকটও তীব্র। শিল্প খাত ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা উপযোগী কার্যকর প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার মান নিয়ে আছে প্রশ্ন। বিদ্যমান কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এসব সমস্যার সমাধান না করেই উপজেলা পর্যায়ে আরও ৩২৯টি টিএসসি স্থাপনের প্রকল্প নিয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকার। বিএনপির নেতৃত্বে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে সেই প্রকল্পটিই বাস্তবায়নে তোড়জোড় শুরু করেছে।
‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়)’ শীর্ষক চলমান প্রকল্পটি ঘিরে ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনের মধ্যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ভূমি অধিগ্রহণের যথাযথ প্রস্তাব না পাওয়ায় ১২৭টি জেলা ও উপজেলায় টিএসসি স্থাপন বাদ রেখে ২০২টি টিএসসি নির্মাণের সুপারিশ করে প্রকল্পের মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি)। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইছে ৩২৯টি উপজেলাতেই টিএসসি স্থাপন করতে। এজন্য উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পুনর্গঠনে আর্থ-সামাজিক বিভাগ বরাবর চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জানা যায়, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা থেকে সুপারিশ করা হয়– যেসব জেলা ও উপজেলা থেকে ভূমি অধিগ্রহণের যথাযথ প্রস্তাব পাওয়া যায়নি সেগুলো বাদ দিয়ে বিদ্যমান অগ্রগতির ভিত্তিতে ২০২টি টিএসসি নির্ধারণ করতে হবে। অবশিষ্ট ১২৭টি টিএসসির প্রয়োজনীয়তা পরে যাচাই করে নতুন প্রকল্প নেওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ ৩২৯টির পরিবর্তে ২০২টি টিএসসি নির্মাণের প্রস্তাব দেয় কমিশন।
পরিকল্পনা কমিশনের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাল্টা আপত্তি তোলে। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এস এম বশীর উল্লাহ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, ৩২৯টি উপজেলাতেই ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন স্তরের কাজ চলমান রয়েছে। ১২৭টি উপজেলা বাদ দেওয়ার কোনো সুস্পষ্ট মানদণ্ড নেই। প্রকল্প ছোট করা হলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে। তাই ডিপিপির সংস্থান অনুযায়ী ৩২৯টি টিএসসি বহাল রাখা উচিত। একইসঙ্গে শুধু প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানানো হয়। এরপরও ডিপিপি পুনর্গঠনে অগ্রগতি না হওয়ায় ২ এপ্রিল শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পরিকল্পনা কমিশনে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠান। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, প্রতিটি উপজেলায় একটি করে টিএসসি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ বিএনপি সরকারের অগ্রাধিকার। ইতোমধ্যে ১৬৪টি উপজেলায় টিএসসি স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকি উপজেলাগুলো কভার করতে ৩২৯টি টিএসসি প্রকল্প নেওয়া হয়। করোনা মহামারি এবং অর্থ বিভাগের সংকোচন নীতি অনুসরণের কারণে ভূমি অধিগ্রহণ ও অর্থ ছাড়ে জটিলতা তৈরি হয়, যা প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্বের অন্যতম কারণ। চিঠিতে শিক্ষামন্ত্রী ৩২৯টি টিএসসি বহাল রেখে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৮ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানান।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো. সাখাওয়াৎ হোসেন জাতীয় অর্থনীতিকে বলেন, শুরুর দিকে প্রকল্পটিতে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা ছিল। যার কারণে প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হয়। পরিকল্পনা কমিশনের পিইসি সভায় ১২৭টি উপজেলায় টিএসসি স্থাপন নির্মাণ বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ৩২৯টি উপজেলায় টিএসসি স্থাপন অপরিবর্তিত রাখার অনুরোধ জানিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগে একটি ডিও লেটার দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেখানে ৬০ শতাংশের বেশি আসন খালি, সেখানে নতুন করে শত শত অবকাঠামো নির্মাণের আগে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা, শিক্ষার মান, শিক্ষকসংকট, শিক্ষার্থী আকর্ষণের সক্ষমতা এবং কর্মসংস্থানের বাস্তব চিত্র মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। তাদের মতে, শুধু ভবন নির্মাণ নয়— শিক্ষার মান, বাজারভিত্তিক ট্রেড, দক্ষ শিক্ষক, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ এবং শিল্প খাতের সঙ্গে কার্যকর সংযোগ নিশ্চিত না হলে নতুন টিএসসি নির্মাণ করেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।
কারগিরি শিক্ষায় নতুন অবকাঠামো নির্মাণের চেয়ে বিদ্যমান অবকাঠামোকে কার্যকর ও মানসম্মত করা বেশি জরুরি বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ মজিবুর রহমান। জাতীয় অর্থনীতিকে তিনি বলেন, আগের যেসব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ আছে সেগুলো সক্রিয় করতে হবে। কারণ বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলো যদি মানসম্মত শিক্ষা দিতে না পারে, তাহলে নতুন ভবন নির্মাণ করে কোনো বাস্তব পরিবর্তন আসবে না।
তিনি বলেন, অনেক সময় অবকাঠামো নির্মাণ ও কেনাকাটাকেন্দ্রিক একটি প্রবণতা তৈরি হয়। শুধু ভবন নির্মাণ বা যন্ত্রপাতি কেনার মধ্যেই যদি উন্নয়ন সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে আসল উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। সরকারকে এখানে নীতিগতভাবে খুব কঠোর হতে হবে। কারিগরি শিক্ষাকে সত্যিকার অর্থে অগ্রাধিকার দিতে হবে। রুট লেভেল থেকে শুরু করে পুরো কাঠামোকে কার্যকর করতে হবে।
শ্রমবাজারের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শ্রমবাজারের সঙ্গে শিক্ষার কার্যকর সংযোগ তৈরি করা। শিক্ষার্থীরা এখান থেকে পাস করার পর তারা চাকরি পাবে কি না, তাদের দক্ষতা বাজারের চাহিদার সঙ্গে মিলবে কি না— এগুলো নিশ্চিত করতে হবে বলে উল্লেখ করেন এই শিক্ষাবিদ।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা কমিশনের নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বর্তমানে চালু থাকা টিএসসিগুলোতেই অধিকাংশ আসন খালি থাকলেও সরকার নতুন অবকাঠামো নির্মাণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকা ১৪৯টি টিএসসির প্রায় ৬২ শতাংশ আসনই ফাঁকা। সব মিলিয়ে ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট আসন ছিল দেড় লাখের বেশি। কিন্তু তার বড় অংশই ফাঁকা পড়ে আছে। এর মধ্যেই আরও ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠান চালু হলে নতুন করে আরও প্রায় ২ লাখ ৮৩ হাজার ৯২০টি আসন যুক্ত হবে। ফলে বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোতেই যেখানে অধিকাংশ আসন পূরণ করা যাচ্ছে না, সেখানে নতুন অবকাঠামো যুক্ত হলে শূন্য আসনের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা।
অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২৪-২৫-এ দেখা গেছে, অবকাঠামো বাড়লেও তীব্র জনবল সংকট রয়ে গেছে। বর্তমানে কর্মরত জনবল রয়েছে ১১ হাজার ৯৩৫ জন। বিপরীতে শূন্য পদের সংখ্যা ১৫ হাজার ২৭২। অর্থাৎ মোট অনুমোদিত পদের অর্ধেকেরও বেশি খালি। এতে শিক্ষা কার্যক্রম, ল্যাব পরিচালনা, তদারকি ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় এনরোলমেন্ট প্রায় ১৯ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই হার ৩০ শতাংশে উন্নীত করা। তবে বাস্তবে অবকাঠামো সম্প্রসারণের তুলনায় শিক্ষার্থী বাড়ছে ধীরগতিতে। একই সঙ্গে শিক্ষার মান নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
‘ট্রেসার স্টাডি ফর পলিটেকনিক অ্যান্ড টিএসসি গ্র্যাজুয়েটস’ এবং ‘নিয়োগকর্তাদের প্রত্যাশা বনাম গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা’ শীর্ষক গবেষণার উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও শিল্প খাতের চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার উপযোগী দক্ষতা তৈরিতে বর্তমান প্রশিক্ষণব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয়। এ কারণে নতুন ট্রেড, কমপেটেনসি বেজডস ট্রেনিং অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট (সিবিটি অ্যান্ড এ), লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এলএমএস) এবং শিল্প-চাহিদাভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতার কথা উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। অনেক প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল মনিটরিং কার্যকর নয়, এমআইএস ও এলএমএস ব্যবস্থাপনা দুর্বল এবং অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা এখনও পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। একই সঙ্গে যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, ল্যাব উন্নয়ন, ওয়ার্কশপ আধুনিকায়ন ও নতুন প্রযুক্তি সংযোজনের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ‘উপজেলা পর্যায়ে ৩২৯টি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ স্থাপন (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৫২৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ৫৯৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি একটি কারিগরি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা, এসএসসি (ভোকেশনাল) ও এইচএসসি (ভোকেশনাল) কোর্স চালু করা, দেশব্যাপী কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ, দেশ-বিদেশের চাকরিবাজার উপযোগী দক্ষ জনশক্তি তৈরি, দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং চারটি ট্রেড ও চারটি স্বল্পমেয়াদি প্যারাট্রেড কোর্স চালু করা।
তবে প্রকল্পের বাস্তব অগ্রগতি এখনও মূলত ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রশাসনিক অনুমোদনের পর্যায়েই সীমাবদ্ধ। সরকারি নথি অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মাত্র ২১টি ক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে মাত্র ৮টি টিএসসিতে। চারটি টিএসসি নির্মাণ কার্যাদেশের অপেক্ষায় রয়েছে এবং নয়টি দরপত্র আহ্বানের অপেক্ষায়। একটি ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসন বরাবর অর্থ ছাড়ের বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমাণ। ৭৫টি ক্ষেত্রে চূড়ান্ত প্রাক্কলনের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আরও তিনটি জেলা প্রশাসনে পাঠানোর জন্য প্রকল্প দপ্তরে অপেক্ষমাণ রয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদনের সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে ছয়টি। প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে অপেক্ষমাণ রয়েছে ৩০টি এবং টিএমইডিতে পাঠানোর জন্য প্রকল্প দপ্তরে অপেক্ষমাণ রয়েছে ৫০টি। পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাওয়া গেছে এমন ৯টি প্রকল্প পরবর্তী ভূমি কমিটিতে উপস্থাপনের অপেক্ষায় রয়েছে। অন্যদিকে ১২০টি উপজেলার ক্ষেত্রে এখনও প্রাথমিক কিংবা পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব পাওয়া যায়নি। সাতটি প্রশাসনিক অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে এবং সাতটি ক্ষেত্রে বিকল্প ভূমির তথ্য চেয়ে জেলা প্রশাসকদের কাছে পত্র পাঠানো হয়েছে। অর্থাৎ প্রকল্প অনুমোদনের পাঁচ বছর পরও অধিকাংশ উপজেলায় ভূমি অধিগ্রহণ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়াই শেষ হয়নি। এ অবস্থায় প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। মেয়াদকাল ধরা হয় ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছয় বছরমেয়াদি এই প্রকল্পটির মেয়াদ আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।